শাহনাজ সুমী। উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ। ছাত্র জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। পেশাগত জীবনে ১৯৯৫ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) এর উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। নারীর অধিকার, বৈষম্য, ক্ষমতায়ন, প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ে নানা সামাজিক উদ্যোগ, কর্মসূচি বাস্তবায়ন, এবং গবেষণার কাজ করছেন। বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে তাঁর সাথে কথা বলেছেন ‘ভয়েসবিডি মিডিয়া’র বিশেষ প্রতিনিধি। দু’জনের কথোপকথনের চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো —

ভয়েসবিডি : আপনি তো দীর্ঘদিন ধরে এই দিবস নিয়ে কাজ করছেন, এর শুরুটা কীভাবে হয়েছিল?

শাহনাজ সুমী : নারী ও মেয়েদের জীবনে মাসিক একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। প্রজননক্ষম একজন নারীর ঋতুস্রাব হবে এটাই স্বাভাবিক । কিন্ত সামাজিক বিধি-নিষেধ, প্রথা, সংস্কৃতি এই স্বাভাবিক বিষয়কে অস্বাভাবিক করে তোলার পাশাপাশি একটি গোপনীয় ও লজ্জার  বিষয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার কারণে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত যথাযথ তথ্য ও জ্ঞান না থাকায় নারীরা শুধু স্বাস্থ্য ঝুঁকিই নয় নারীরা তাদের মাসিকের সময় শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। এই বিষয়ে সাধারণের যেমন অসচেতনতা রয়েছে ঠিক একইভাবে নীতি-নির্ধারকদের কাছে বিষয়টি এখনো যথার্থ গুরুত্ব পায়নি। এ প্রেক্ষাপটে ২০১৪ সালে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রথমবারের মত বিশ্বব্যাপী মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবসটি পালন করা হয়।

ভয়েসবিডি : বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে আপনার ভাবনা?

শাহনাজ সুমী : আমরা সকলেই জানি, বিশ্বে মহামারি পরিস্থিতি তৈরি করা করোনা ভাইরাস তার সংক্রমণ থেকে মৃত্যু ঝুঁকি বৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের জীবন যাপনের উপরে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে। অর্থনীতি, স্বাস্থ্য-ব্যবস্থাতে তার প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। লকডাউন ও সাধারণ ছুটির ফলে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড অনেকাংশে বন্ধ ছিলো তা আমরা সবাই জানি। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সারাদেশব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হলে তারা কিভাবে সেবা পাবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি, যাদের করোনা হয়নি কিন্তু অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা প্রয়োজন তাদের পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠে, বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে  করোনাকালীন জীবিকার সঙ্কটে নারীর মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উপেক্ষিত হচ্ছে। এ বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন সংগঠনের তথ্যমতে, করোনাকালীন অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিশোরী বা এবং নারীদের স্যানিটারি পণ্য এবং সহায়ক অন্যান্য উপকরণ সহজলভ্য হচ্ছে না, ফলে তারা অনেকক্ষেত্রেই ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান ব্যবহার করছে, এইভাবে তাদের যৌন ও প্রজনন তন্ত্রের সংক্রমণ, মুত্রনালীর সংক্রমণ ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ প্রেক্ষাপটে মাসিক স্বাস্থ্য দিবসের  ২০২১ সালের মূল প্রতিপাদ্য – “More action & investment in menstrual health & hygiene now” । যা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী।

ভয়েসবিডি : মাসিক স্বাস্থ্যের সাথে মানবাধিকারের সম্পর্কটাকে আপনি কিভাবে দেখেন?

শাহনাজ সুমী : নারী ও মেয়ের জীবনে ঋতু বা মাসিক একটি প্রাকৃতিক এবং স্বাভাবিক ঘটনা। প্রজননক্ষম একজন নারীর মাসিকের সময়লকাল প্রায় ৩৮ বছর। এর মধ্যে গড়ে প্রায় ৪৫০ বার মাসিক চক্র সংঘটিত হয়। মাসিক সম্পর্কিত যথাযথ তথ্য ও জ্ঞান প্রাপ্তি, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা সম্বলিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা করার সামর্থ্য অর্জন একটি অত্যাবশ্যকীয় মানবাধিকার। ‘মাসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা’  যৌন এবং প্রজননস্বাস্থ্যেরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সামাজিক নিয়মবিধি, বিশ্বাস বা রীতিনীতি এবং প্রচলিত ধ্যান-ধারণা মাসিকের সময় নারী ও মেয়েদের সামাজিক, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে সীমিত করে তোলাসহ নারীর সামগ্রিক ক্ষমতায়নকে বাধাগ্রস্ত করে তোলে।এছাড়াও পরিষ্কার পানি, উপযুক্ত স্যানিটেশন সুবিধা এবং আনুষাঙ্গিক স্বাস্থ্যবান্ধব সুযোগ সুবিধায় সীমিত প্রবেশাধিকার নারীদের জন্য তাদের মাসিক স্বাস্থ্যের ব্যবস্থাপনাকে আরো কঠিন করে তোলে। এছাড়া আমাদের দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিশোরী বা এবং নারীদের স্যানিটারি পণ্য এবং সহায়ক অন্যান্য উপকরণ সহজলভ্য হয় না ফলে ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান ব্যবহার করে থাকে, এই ভাবে তাদের যৌন ও প্রজনন তন্ত্রের সংক্রমণ, মুত্রনালীর সংক্রমণ ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়তে পারে। সামগ্রিক অর্থে বিশ্বেও অন্যান্য নারীদের মতোই বাংলাদেশের নারীরা তাদের মাসিকের সময় শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। অন্যদিকে, মাসিককালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের বিষয়টি পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার ছাড়া ও শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গ সমতার সাথে সম্পর্কিত। 

ভয়েসবিডি : মাসিক স্বাস্থ্যের সাথে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)’র সাথে যোগসূত্রটা কোথায়?

শাহনাজ সুমী :  টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) যেমন (লক্ষ্য-৩) সকলের ও সব বয়সের মানুষের জন্য সুস্থ জীবন নিশ্চিত করা এবং জীবন-মানের উন্নয়ন করা। (লক্ষ্য-৬) সকলের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সহজলভ্য করা এবং এর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, যা অর্জন করার জন্য নীতিনির্ধারকদের যথাযথ মনোযোগ প্রয়োজন। (লক্ষ্য ৪) মাসিক স্বাস্থ্য বিধি ব্যবস্থাপনা স্কুলে মেয়েদের উপস্থিতি এবং কর্মদক্ষতা এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়, (লক্ষ্য ৫) নারী-পুরুষের সমতা এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন, (লক্ষ্য ৮) নারী পুরুষ উভয়ের জন্য পরিপূর্ণ এবং উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এর সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংস্থার মাধ্যমে সূচক অনুযায়ী এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আনুমানিক ব্যয় নির্ধারণ করেছে, যেখানে বেসরকারি কর্পোরেট সেক্টর এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। অথচ মেয়েদের জন্য স্কুলে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি সুবিধাগুলোর সহজলভ্যতা, প্রবেশাধিকার, গ্রহণযোগ্য মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া সত্ত্বেও দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা একটি অবহেলিত বিষয় হিসাবেই রয়ে গেছে। 

ভয়েসবিডি : মাসিক স্বাস্থ্যের সাথে সংঙ্গতিপূর্ণ কি ধরণের নীতি বা উন্নয়ন পরিকল্পনা বিদ্যমান রয়েছে এবং সেই সাথে বিএনপিএস কি ধরণের কাজ করছে?

শাহনাজ সুমী : বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন নীতিমালা যেমন: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১, জাতীয় কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলপত্র : ২০১৬-২০৩০,বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০১২, বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি নীতি- ২০১৫, জেন্ডার ইকুইটি এ্যাকশন প্ল্যান (২০১৪-২০২৪), জাতীয় মনোসামাজিক কাউন্সিলিং নীতিমালা-২০১৬ (খসড়া) স্বাস্থ্য খাত সহায়তা প্রকল্প, সামাজিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো,  মার্চ ২০১৭ মাসিক ব্যবস্থাপনা, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা, বয়ঃসন্ধিকালের কিশোরীদের বিষয়গুলোর প্রতিফলন রয়েছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বান্ধব টয়লেট ও মাসিকের সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তাছাড়া বিএনপিএস সরাসরি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকায় মাসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে নানা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে ও কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে।  

ভয়েসবিডি : বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া নারীর মাসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা সমতলের তুলনায় প্রেক্ষাপটটা কেমন?

শাহনাজ সুমী : যাতায়াত ব্যবস্থা, যথাযথ তথ্য, জ্ঞান ও দক্ষতাসহ নানা প্রান্তিকতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী ও কিশোরীদের জন্যে পরিস্থিতি সবসময়ই কঠিন, করোনা পরিস্থিতিতে তা আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠে। এই অঞ্চলে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার জন্যে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা এখনও সম্ভব হয়নি। প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিক এখনও প্রতিষ্ঠা হয়নি। এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে কিছু কিছু জায়গায় যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে এক পাড়া থেকে আরেক পাড়াতে যাওয়া-আসা করাও খুব কঠিন। ফলে সেবার প্রাপ্যতা বরাবরই প্রশ্ন সাপেক্ষ, করোনার প্রকোপে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। স্থানীয় নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনগুলোর মতে, করোনাকালে প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চরম ঝুকির সম্মুখীন হচ্ছে। একজন নারী স্বাস্থ্য সেবা নিতে যাবে, তার জন্যে প্রয়োজনীয় যানবাহন নেই, লকডাউন পরিস্থিতিতে বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, সেবা নিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। এর সাথে যুক্ত রয়েছে নিরাপত্তার চৌকিতে অনাকাঙ্ক্ষিত সময়ক্ষেপন। করোনা মহামারীর মত একটি নতুন একটি অভিজ্ঞতা অর্থাৎ কোয়ারেন্টাইন, শারীরিক দূরত্ব, গণপরিবহণ ব্যবহার ও চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত প্রস্তুতিহীনতা, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে জনবল, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব নারীর যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিশোরী বা এবং নারীদের স্যানিটারি পণ্য এবং সহায়ক অন্যান্য উপকরণ সহজলভ্য হচ্ছে না, ফলে ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান ব্যবহার করছে, এইভাবে তাদের যৌন ও প্রজনন তন্ত্রের সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে।

ভয়েসবিডি : বাংলাদেশে মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে পর্যাপ্ত সচেতনা তৈরি না হওয়ার পেছনে কোন বিষয়গুলো এখনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে মনে করেন?

শাহনাজ সুমী :  মাসিক বিষয়ে প্রচলিত সামাজিক নিয়ম-বিধি, বিশ্বাস বা রীতিনীতি এবং বিজ্ঞান অসম্মত ধ্যান ধারণা মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

ভয়েসবিডি :  মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা পরিবারের পুরুষ সদস্য ও সমাজের অন্যান্য সচেতন মানুষের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত বলে মনে করেন?

শাহনাজ সুমী : পরিবার,সমাজ এবং রাষ্ট্রকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে মেয়ে শিশুরা এমন পরিবেশে বেড়ে উঠবে যেখানে মাসিককে স্বাস্থ্যসম্মত ও ইতিবাচক হিসেবে দেখা হয়। এটি নিশ্চিত করতে হবে যে মেয়েশিশু ও নারীরা প্রথম মাসিকসহ মাসিককালীন তাদের পরিবার,সমাজ এবং রাষ্ট্রের সহযোগিতা পায়। মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা করার ক্ষেত্রে কিশোরী এবং  নারীরা যেন সামাজিক বা সাংস্কৃতিক দিক থেকে বাধাগ্রস্থ না করে সে বিষয়টিকেও গুরুত্বের বিবেচনায় নেয়া জরুরী। এছাড়া পারিবারিক পর্যায়েও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো টয়লেটে/বাথরুমে, এবং পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

ভয়েসবিডি : আমাদের কে আপনার মূল্যবান মতামত প্রদানের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

শাহনাজ সুমী :  ‘ভয়েসবিডি মিডিয়া’ কেও অসংখ্য ধন্যবাদ। 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
About Author

Voicebd Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *